1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষ্যে ২০২৩ সালে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযানে মাগুরা জেলা পুলিশ পুরস্কৃত মাগুরায় কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কর্তন মাগুরায় চোর এবং চোরাই মালমাল ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত ০৫ সদস্য আটক মাগুরায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ এর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মাগুরায় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রশাসনের সম্মানন প্রদান  মাগুরায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে চারজন আটক মাগুরা জেলায় বহুল কাঙ্ক্ষিত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক  তিন ফসলি জমিতে মাগুরা মেডিকেল কলেজের প্রস্তাব মন্ত্রীরা যা বলছেন এবং যা করেন-সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা মাগুরায় বাংলাদেশের প্রথমবারের মত প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে স্থাপন করা হল স্মার্ট বোর্ড

বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার ছয় জন নিখোঁজ 

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ১০৭ বার পঠিত

বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার ছয় জন নিখোঁজ ।

চট্টগ্রামে বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত মাগুরার ৬ জন নিঁখোজ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্যই নেই। তবে জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মন্ডলগাতী, খলিসাখালি ও রঘুনাথপুর গ্রামের নিঁখোজ পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম।

বুধবার দুপুর ৩ টার দিকে এমভি সুলতান সানজা জাহাজটিকে পেছন থেকে অপর একটি লাইটার জাহাজ আঘাত করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়। ওই জাহাজটিতে কর্মরত মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার যশোবন্তপুর গ্রামের রুবেল এবং খলিসাখালী গ্রামের রবিউল ইসলাম সাঁতরে কুলে উঠতে সক্ষম হয়।

ডুবে যাওয়া এমভি সুলতান সানজা থেকে বেঁচে ফেরা রুবেল মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার যশোবন্তপুর গ্রামের মৃত লুলু মিয়ার ছেলে। তিনি বলেন, আমরা পাথর নিয়ে জাহাজে করে কর্ণফুলির দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পেছন থেকে অন্য একটি লাইটার জাহাজ আঘাত করে। সে সময় আমাদের জাহাজের মধ্যে মাগুরার মোট ৮ জন ছিলো। আমার সঙ্গে রবিউল কুলে উঠলেও অন্য ৬ জনের খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তারা নিঁখোজ রয়েছে।

নিঁখোজ ওই জন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মণ্ডলগাতি গ্রামের নূরোল হোসেন মোল্যার ছেলে শিমুল ও জাহিদ, খসরু বিশ্বাসের ছেলে সুরুজ, গোলাম রসূল মোল্যার ছেলে নূর মোহাম্মদ এবং একই উপজেলার খলিসাখালি গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে মনির হোসেন ও বাবুখালী গ্রামের রঘুনাথপুর আকরাম হোসেনের ছেলে নাজমুল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার বিকালে মাগুরার নিঁখোজ ওই পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে শোকের মাতম। তারা প্রত্যেকেই ঈদের ছুটির পর চট্টগ্রামে ওই জাহাজটিতে কাজের জন্যে যায়।

মন্ডলগাতি গ্রামের নিঁখোজ শিমুল ও জাহিদের মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলেরা বুধবার সকালে মোবাইল ফোনে কথা বলে কাজে গেছে। পরে কথা বলবে জানালেও আর কথা হয়নি। এখন শুনছি তাদের জাহাজ ডুবে গেছে।

একইভাবে অন্যান্যদের পরিবারে গিয়েও দেখা যায় প্রতিটি পরিবার শোকাগ্রস্ত। তারা নিজ নিজ পরিবারের নিঁখোজ সন্তানদের সন্ধান চেয়েছেন।

এ বিষয়ে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার কেউ সেখানে কর্মরত ছিলেন এবং তাদের নিঁখোজ কিংবা উদ্ধারের কোনো তথ্যই অফিসিয়ালি আমাদের কাছে নেই। তবে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা