1. admin@samokalbarta.com : admin :
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরার রেললাইন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের সাথে যুক্ত হবে- রেলমন্ত্রী  মাগুরায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ফিলিস্তিনে  ইসরায়েলী  নৃশংস গণহত্যা বন্ধের দাবিতে মাগুরায়  সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরায় কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন সাকিব আল হাসান মাগুরায় আফজাল হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন মাগুরায় অংকে ফেল করায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাদ থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত। মাগুরার শ্রীপুরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, কার্যালয় ও মোটর সাইকেল ভাংচুর ২য় ধাপে মাগুরায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শালিখা  ও মহম্মদপুর উপজেলার  ২৭ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ মাগুরা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক মোবাইল ও টাকা উদ্ধারপূর্বক হস্তান্তর  পুলিশের ধাওয়ায় প্রাণ গেল মটরসাইকেল আরোহীর

মাগুরায় গ্রাহকের আমানত আত্মসাতের ঘটনায় বরখাস্ত হলেন জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক রিপন

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫২৪ বার পঠিত

মাগুরায় জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখায় দুর্নীতি

আমানতের টাকা আত্মসাতের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত

হলেন শাখা ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম রিপন।

শেষ রক্ষা হলো না। ফেঁসেই গেলেন মাগুরা জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম রিপন। অবশেষে মৃত ব্যক্তির হিসাব থেকে আমানতের টাকা আত্মসাতের দায়ে তাঁকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ব্যাংকের তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আমানতকারীর টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ওই সিদ্ধান্ত নেয়।

অবশ্য ব্যাংক আইন সম্পর্কে অবগত একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ও একজন আইনজীবী বলছেন, আমানতের টাকা আত্মসাতের মতো গুরুত্বর অপরাধের একমাত্র শাস্তি চাকরিচ্যুতি। অপরাধ প্রমানিত হওয়ায় নিয়মানুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ চুড়ান্ত চাকরিচ্যুতির পদক্ষেপ নিতে পারেন। এধরনের অপরাধ করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ এর সঙ্গে ব্যাংকের সুনাম, মর্যাদা ও বিশ্বস্ততার প্রশ্ন জড়িত।

উল্লেখ্য, শহরের আতর আলী সড়কের ব্যবসায়ি আতিকুর রহমান ২০০২ সালের ৩০ মে মাগুরা জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব (নং-০১০০০১১৩১৮২৩৬) খোলেন। হিসাব খোলার প্রায় একদশক পর ২০১৩ সালে তিনি মারা যান। ওই সময় তাঁর ব্যাংক হিসেবে ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯২৬ টাকা সঞ্চয় ছিল। ওই ব্যাংক হিসাবে কোনো নমিনির নাম উল্লেখ ছিলো না। এই সুযোগে ব্যাংকের তৎকালিন ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম রিপন আমানতের ৮ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ওই হিসাব থেকে টাকা তুলে আত্মসাতের প্রায় তিন বছর পর মৃত আতিকুর রহমানের ভাতিজা গোলাম হায়দার গত ৩০ আগস্ট ২০২৩ জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখায় যান। তিনি ওই ব্যাংক হিসাবের ‘ব্যাংকস্টেটমেন্ট’ তুলতে গেলে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নজরে আসে। পরে ব্যাংকের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই তদন্তে ব্যাংকের তৎকালিন ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম রিপন ওই হিসাব থেকে ৮ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে প্রমানিত হয়। পরে জনতা ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মোঃ মাহমুদ উল মতিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম রিপনকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা