1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় স্বাস্থ্য বিভাগের ৭১টি পদের নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন ; স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় প্রশংসিত মাগুরায় জাতীয় বীমা দিবস পালিত পুুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষ্যে ২০২৩ সালে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযানে মাগুরা জেলা পুলিশ পুরস্কৃত মাগুরায় কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কর্তন মাগুরায় চোর এবং চোরাই মালমাল ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত ০৫ সদস্য আটক মাগুরায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ এর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মাগুরায় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রশাসনের সম্মানন প্রদান  মাগুরায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে চারজন আটক মাগুরা জেলায় বহুল কাঙ্ক্ষিত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক  তিন ফসলি জমিতে মাগুরা মেডিকেল কলেজের প্রস্তাব

মাগুরায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৫৭ বার পঠিত

মাগুরায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মাগুরা জেলায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে গণকমিটি মাগুরা জেলার উদ্যোগে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২২ সকাল ১১টায় চৌরঙ্গী মোড়ে মাগুরা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলী এবং সমাবেশ পরিচালনা করেন সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু। বক্তব্য প্রদান করেন, গণকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম আনিসুর রহমান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য চলছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অপর্যাপ্ত। ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল টেকনিশিয়ানসহ রয়েছে লোকবল সংকট। ওষুধ, টেস্ট, অপারেশনসহ বেশিরভাগ চিকিৎসা সেবা হাসপাতালের বাইরে থেকে নিতে হয়। উপজেলা পর্যায়েও সেভাবে কোন চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না। কমিউনিটি ক্লিনিক আছে কিন্তু সেখানে কোন ডাক্তার থাকেন না। মাগুরার একমাত্র মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতালেও নেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। অন্যদিকে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। এগুলোতে কখনো নার্স ডাক্তার সেজে অপারেশন করে রোগী মেরে ফেলে, কখনো রোগীর শরীরে অন্য গ্রুপের রক্ত ঢুকিয়ে মেরে ফেলে। তারপর এদের কিছু জরিমানা হয়; কয়দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে; তারপর উপর মহলে টাকা দিয়ে আবারও খুলে যায় এসব ক্লিনিক। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার অপর্যাপ্ততার কারণে রোগীরা এসব ক্লিনিকে যেতে একভাবে বাধ্য হন এবং অপচিকিৎসার শিকার হন।

আর সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা না থাকায় এই জেলার মানুষের চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেশি হয়ে যায় এবং অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন। অথচ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী চিকিৎসা আমাদের মৌলিক অধিকার।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা