1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষ্যে ২০২৩ সালে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযানে মাগুরা জেলা পুলিশ পুরস্কৃত মাগুরায় কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাছ কর্তন মাগুরায় চোর এবং চোরাই মালমাল ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত ০৫ সদস্য আটক মাগুরায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ এর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মাগুরায় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রশাসনের সম্মানন প্রদান  মাগুরায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে চারজন আটক মাগুরা জেলায় বহুল কাঙ্ক্ষিত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক  তিন ফসলি জমিতে মাগুরা মেডিকেল কলেজের প্রস্তাব মন্ত্রীরা যা বলছেন এবং যা করেন-সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা মাগুরায় বাংলাদেশের প্রথমবারের মত প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে স্থাপন করা হল স্মার্ট বোর্ড

শাপলা ফুল বিক্রি করে সংসার চালান সনাতন বিশ্বাস 

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩
  • ৩২ বার পঠিত

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে শাপলা ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গোপালগঞ্জ জেলার মকসেদপুর উপজেলায় বাসুদেবপুর গ্রামের সনাতন বিশ্বাস।

শাপলা বিক্রির পাশাপাশি আলাপচারিতায় সনাতন বিশ্বাস বলেন, আমি আগে অন্য ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম। জীবিকা অর্জন আর পুঁজি ছাড়া এ ব্যবসা করা যায় বলেই আজ আমি এ ব্যবসা শুরু করেছি। তিনি জানান, প্রতিদিন ভোর রাতে শাপলা তুলতে চলে যায় নিজ জেলার মকসেদপুর উপজেলার উজানি বিলে। বাড়ির কাছে হওয়ার বেশ সুবিধা হয়। প্রতিদিন আমি কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৭০০ মুঠো শাপলা সংগ্রহ করতে পাড়ি।

শাপলা ফুল শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও তরকারি হিসেবে শাপলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের প্রায় সবখানে খাল, বিল, পুকুর, ডোবায় শাপলা পাওয়া যায়। বিলের একদল নিবেদিত প্রাণ এ শাপলায় সবজির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কাটাচ্ছেন নিজের সংসারের দৈন্যদশাও।বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম শাপলার লতায় রয়েছে ১.৩ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১.১ গ্রাম আঁশ, ৩.১ গ্রাম ক্যালোরি-প্রোটিন, ৩১.৭ গ্রাম শর্করা, ৭৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

শাপলা শুধু সৌন্দর্য ছড়ায় না; খাদ্য চাহিদাও পূরণ করে। বর্ষায় গোপালগঞ্জে জেলায় শাপলা ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা জীবিকার অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে ওঠেছে সেখানকার কয়েকশ পরিবারের। সবজি হিসেবে শাপলার চাহিদা থাকলেও দূষণ ও জলাশয় কমতে থাকায় এখন আর আগের মত শাপলা পাওয়া যায় না।স্থানীয়রা জানান বর্ষা মৌসুমে অনেক শাপলা ফুটে। আষাঢ় থেকে শুরু করে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পাওয়া যায় এই শাপলা।ডা. ইকবাল বলেন, পুষ্টিসমৃদ্ধ শাপলা সবজি হিসেবে জীবন যাপনে বড় ভূমিকা রাখার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ‘যে শাপলা বিলে জন্মে বিলেই পচে যেত, সে শাপলা সবজি হিসেবে আজ অনেকেই বাঁচার একমাত্র সম্বল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা