মাগুরায় আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আহত মিলন হোসেন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহত মিলন হোসেন মাগুরা সদর উপজেলার কুঁচিয়ামোড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ২০ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিলন হোসেনকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাকা হরিশপুর চৌরাস্তার মোড়ে নেওয়া হয়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১০-১৫ জনের একটি দল হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
আহত মিলন হোসেন জানান, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত রবিবার রাতে। তিনি বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাকা হরিশপুর এলাকার আমজাদ বিশ্বাসের ছেলে সুমনের সঙ্গে তার বাড়ির সামনে রাস্তার উপর মোবাইলে কথা বলার সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।”
তিনি আরও জানান, পরদিন রাত ১১টার দিকে কুল্লিয়া গ্রামের পাভেল ও সোহাগ তাকে ডেকে নিয়ে মীমাংসার কথা বলে বাকা হরিশপুর চৌরাস্তায় নিয়ে যান। সেখানে হঠাৎ সুমন পিছন থেকে এসে হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এরপর সেখানে উপস্থিত আরও ১৫-২০ জন তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর ও কুপিয়ে জখম করে।
মিলন হোসেনের অভিযোগ, হামলায় অংশ নেন সুমন, সুজন, ইমন ও ময়না (পিতা: আমজাদ হোসেন), পাভেল (পিতা: টিপু মোল্লা), সোহাগ ও হৃদয় (পিতা: বকুল হোসেন), রেজাউল (পিতা: পান্না) এবং মিল্টনসহ আরও কয়েকজন।
তিনি দাবি করেন, হামলায় জড়িতদের অধিকাংশই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তারা স্থানীয় এক নেতার নেতৃত্বে এ হামলা চালিয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মিলন হোসেনকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সোহাগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মিলন ও সুমনের মধ্যে বিরাজমান বিরোধ মীমাংসার জন্য নিয়ে গেলে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সুমন মিলনের উপর হামলা করে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আশিকুর রহমান জানান ,এ ঘটনাটি আমার জানা নাই তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ ইউনুস আলী
ঠিকানা : আব্দুল মজিদ মার্কেট,
দ্বিতীয় তলা ভায়না মোড়, মাগুরা।