মাগুরার শ্রীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকালে নবগ্রাম বাজারে দুই গ্রুপের লোকজন মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের ২০ টির অধিক বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর করা বাড়িতে৷ লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া শরীয়তুল্লাহ হোসেন রাজনের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মুস্তাসিম বিল্লাহ সংগ্রামের সমর্থকেরা। এ ঘটনার রেষ ধরে প্রায় উত্তেজনা ছড়ায় দুই গ্রুপের সমর্থকদের মাঝে। গত শুক্রবার (১৮অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওহিদুল ইসলাম ওহিদ গ্রুপের সমর্থক আশরাফ মোল্লা ও সাইদুল বিশ্বাসের উপর স্থানীয় নবগ্রাম বাজারে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করে আলাউদ্দিন মেম্বার সমর্থক গ্রুপের বাদশা ও সুলতানের নেতৃত্বে তাদের ছেলেরা। এঘটনার পর ই বাজার দখলে আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে দুপক্ষই। এরপর গত রবিবারে ২০ (অক্টোবর) চন্ডিখালী কাজে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল যোগে কাজের যাবার সময় সালাম নামের এক রাজমিস্ত্রীকে মারধর করে বাদশার ছেলে ইমরান, আলম, সুলতানের ছেলেরা। এর জের ধরেই সকালে দুই গ্রুপ মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মন্ডল ও ওহিদুল ইসলাম ওহিদ সমর্থিত গ্রুপের সানোয়ার উদ্দিন বিশ্বাস,
সোহেল রানা, আকবর মন্ডল, আনোয়ার হোসেন, রুস্তম মন্ডল, বিথী বানু, রমজান শেখ, নবুয়াত মোল্লা, ইতি আক্তার এর বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
অন্যদিকে গয়েশপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্লা ও ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন সমর্থিত আলাউদ্দিন মেম্বার, কামরুল শেখ, নজরুল শেখ, হযরত শেখ, নেকবর খাঁন, ইকবাল খাঁন, লতিফ শেখ, তাজেল শেখ, মৃত সালামত শেখসহ বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ ইউনুস আলী
ঠিকানা : আব্দুল মজিদ মার্কেট,
দ্বিতীয় তলা ভায়না মোড়, মাগুরা।