কিন্তু টাকা নেওয়ার চার বছর পার হলেও শামছুর রহমান প্রতিশ্রুত কাজটি সম্পন্ন করেননি কিংবা অর্থও ফেরত দেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
ভুক্তভোগী সুমন লস্কর বলেন,চার বছর আগে জমি রেজিস্ট্রির লাইসেন্সের কথা বলে শামছুর আমার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেন। বলেছিলেন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কাজটি করিয়ে দেবেন। কিন্তু এরপর থেকে শুধু তালবাহানা করছেন। এখন টাকা ফেরত চাইলে ঘুরিয়ে দিচ্ছেন।”
তিনি আরও জানান, টাকা প্রদানের সময় বিষয়টি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিতভাবে লেনদেন করা হয়েছিল।
স্থানীয় মো. মসলেম জানান, “শামছুর রহমান আমার মাধ্যমে সুমনের কাছ থেকে টাকা নেয়। কিন্তু চার বছরেও কোনো কাজ করেনি, এমনকি টাকা ফেরতও দেয়নি।”
একই এলাকার আরেকজন বাসিন্দা মো. মুজিবর রহমান জানান,শামছুর রহমানের বাড়ি আমার পাশেই। সে সত্যিই সুমনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল জমির লাইসেন্সের কথা বলে। এখনো সেই টাকা ফেরত দেয়নি।”
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার শামছুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সার্কিট হাউজের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“আমরাও এমন অভিযোগ শুনেছি। বিষয়টি সত্য হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল কাদের বলেন, “যদি অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভুক্তভোগী সুমন লস্কর জানান, ঘটনাটি নিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই মহম্মদপুর উপজেলা আর্মি ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে এখনো কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।