1. admin@samokalbarta.com : admin :
সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পথচারীদের মধ্যে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ। মাগুরার শ্রীপুরে আগুনে পুড়ে দুই পরিবারের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি মাগুরায় স্ত্রীর সহযোগিতায় স্বামীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ মাগুরায় স্টেডিয়াম পাড়া যুব সংঘের নতুন কমিটি গঠন মাগুরায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে সময় টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মাগুরায় প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২৯ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল মাগুরায় স্টেডিয়াম পাড়া যুব সংঘের কমিটি গঠন সভাপতি কানন, সম্পাদক মিন্টু পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মাগুরায় বাংলা ১৪৩১ বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির ঈদ পুনর্মিলনী ও সংবর্ধনা

পানির অভাবে পাট জাগ দেয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা

সনতচক্রবর্ত্তী বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০২৩
  • ৫৮ বার পঠিত

ফরিদপুর জেলায় বোয়ালমারী উপজেলার পাটের ফলন ভালো হলেও পানির অভাবে অনেকে খেতেই পাট ফেলে রেখেছেন। এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় ডোবায় পানি নেই। তাই পাট জাগ দিতে পারেননি অনেক কৃষক। মাঠে ফেলে রাখা পাটের আঁশও শুকিয়ে যাচ্ছে। পাট জাগ দিতে না পেরে বেকায়দায় কৃষক।

কৃষকরা বলছেন, এ বছর রোগবালাই থাকা সত্ত্বেও পাটের ফলন ভালো হয়েছে। আবার দামও গত বছরের চেয়ে বেশি। এতে পাট চাষে লাভের আশা দেখছেন তারা। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় খাল-বিলসহ বিভিন্ন ডোবা ও নালায় পর্যাপ্ত পানি নেই। এ কারণে কৃষকরা পাট কাটতে পারছেন না। অনেকেই আবার ভারী বৃষ্টিপাতে বিভিন্ন ডোবা-নালা পানিতে ভরাটের আশায় পাট কাটা শুরু করেছেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না পেয়ে পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না।

এদিকে অনেকে বাধ্য হয়ে শ্যালোমেশিন ও মোটর দিয়ে ডোবা-নালায় পানি তুলে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। আবার অনেকে খাল-বিলে ও জলাশয়ে সামান্য জমাট বাঁধা পানিতে পাট-জাগ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় ভালো ফলন হলেও লোকসান গুনতে হবে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষিকরা।

সরেজমিনে জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন ফসিল মাঠে গিয়ে দেখা যায়, কৃষককেরা ক্ষেত থেকে পাট কাটতে শুরু করেছেন। কাটা পাট থেকে পাতা ঝরার জন্য ক্ষেতেই সারিবদ্ধভাবে শুইয়ে রাখা হয়েছে। আবার কেউ কেউ সড়কের পাশে ডোবা অথবা জলাশয়গুলোতে পাট পচাতে জাগ দিচ্ছেন।

পাটচাষি জুয়েল সেখ বলেন , চৈত্র বৈশাখ মাসে পাট বীজ বপন করা হয়। আষাঢ় শ্রাবণ মাসে কাটা হয়। এ বছর আবহাওয়ার অনুকূল না থাকলেও পাটের ফলন ভালো হয়েছে। তবে এ বছর বৃষ্টি কম হয়েছে। এলাকার খাল, বিল, পুকুর, জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি নেই। এ কারণে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে যেসব ডোবা ও জলাশয়ে পানি জমেছে সেখানে নিয়ে পাট জাগ দেওয়া লাগছে।

কৃষক হালিম মোল্লা বলেন, ৩ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। জমির আশেপাশে কোনো ধরনের খান বিল নেই। তাই ঘোড়ার গাড়িতে করে পাট নিয়ে দূরের একটি পুকুরে জাগ দিতে নিচ্ছি। এতে সময় ও টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

বোয়ালমারী কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোর বলেন, এ অঞ্চলে এবার পাট ভালো হয়েছে। তবে পানির অভাবে পাট জাগে সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে সমস্যা কেটে যাবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা