
আগামী বুধবার (০৮ অক্টোবর ২০২৫) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত মাগুরা পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল। দীর্ঘদিন পর এই কাউন্সিল ঘিরে ইতোমধ্যেই মাগুরা পৌর এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে তীব্র আগ্রহ ও উৎসাহের জোয়ার।
কাউন্সিল উপলক্ষে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে চলছে কর্মীদের ব্যস্ততা, প্রচারণা ও মতবিনিময় সভা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট ঝুলছে। এতে করে পুরো শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক নির্বাচনমুখর পরিবেশ।
এবারের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মাগুরা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি ও বিএনপি নেতা ফরিদ হাসান খান “কাপ-পিরিচ” প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।তবে নেতাকর্মীদের সমীকরণে মাগুরা পৌর বিএনপির কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা ফরিদ হাসান খান ।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এক বক্তব্যে ফরিদ হাসান খান বলেন “কাপ-পিরিচ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করুন। আমি আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে একজন সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। মাগুরা পৌর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল করতে চাই।”
তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যেই দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে পারবেন
প্রার্থীদের প্রচারণা, লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় এখন জমে উঠেছে পুরো পৌর শহর। প্রতিটি ওয়ার্ডে চলছে প্রার্থীদের সমর্থকদের ব্যানার-ফেস্টুন টানানোর প্রতিযোগিতা। দলীয় কার্যালয়ে চলছে ব্যস্ততা, আলোচনা ও কৌশল নির্ধারণের সভা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে মাগুরা পৌর বিএনপি নতুন গতি ও দিকনির্দেশনা পাবে। দীর্ঘ সময় পর এমন অংশগ্রহণমূলক কাউন্সিল দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা ও ঐক্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কাউন্সিলকে ঘিরে দলের শীর্ষ নেতারাও স্থানীয় পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। তারা প্রত্যাশা করছেন, এ নির্বাচনের মাধ্যমে এমন নেতৃত্ব উঠে আসবে যারা আগামী দিনে দলকে সংগঠিত করে বিএনপির রাজনীতিকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে।
সবশেষে, মাগুরা পৌর বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটাই প্রত্যাশা।
এই কাউন্সিলটি যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলকভাবে সম্পন্ন হয়। সবাই আশা করছেন, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক ধারা আরও শক্তিশালী হবে, এবং মাগুরা পৌর বিএনপির রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা ঘটবে।
Leave a Reply