
মাগুরায় চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাশিদুল ইসলাম রিংকুর মালিকানাধীন একটি মুরগির খামার থেকে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (৩০ মে) রাত ১০টার দিকে মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খান্দার খায়রুল হাসান (পিপিএম-সেবা)-এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
মাগুরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবু বকর জানান, চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পারনান্দুয়ালী গ্রামের খিরু মোল্লার ছেলে রাশিদুল ইসলাম রিংকুর মালিকানাধীন মুরগির খামারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে তার হেফাজতে থাকা পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় তার সহযোগী হিসেবে মিরপাড়া এলাকার সাহেব আলীর ছেলে ও মোটরসাইকেল মেকানিক পলাশ মিস্ত্রিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রাশিদুল ইসলাম রিংকু ও পলাশ মিস্ত্রি খামারে অবস্থান করছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিংকু পালিয়ে যান। পরে খামার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাশিদুল ইসলাম রিংকু মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির ৪৯ নম্বর সদস্য। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, তার বিরুদ্ধে মাগুরাসহ বিভিন্ন থানায় চুরির ছয়টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাসানুর রহমান হাসু বলেন, “রাশিদুল ইসলাম রিংকু জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এবং তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Leave a Reply