1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা শহরের মীরপাড়া মোড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগকে ‘অপপ্রচার’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন মাগুরা জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মীর আবু সাঈদ।

সম্প্রতি ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এ দাবি করেন তিনি।

মীর আবু সাঈদ বলেন, কয়েকদিন ধরে তাঁর অফিস ও আশপাশের এলাকায় ব্যাটারি ও বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ঘটছে। এ কারণে রাতের বেলায় তিনি নিজেও এলাকায় সতর্ক থাকেন।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে তাঁর অফিসের পাশে অন্ধকারে একটি দোকানে একজনকে বসে থাকতে দেখেন। পরে তিনি ওই ব্যক্তিকে কে এবং কেন সেখানে বসে আছেন—তা জানতে চান। একই সঙ্গে এলাকায় কয়েকদিন ধরে চুরির ঘটনা ঘটছে বলেও তাকে জানান। এ সময় ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সামান্য বাক্য বিনিময় হয়।

মীর আবু সাঈদের ভাষ্য, ওই ব্যক্তি যে একজন পুলিশ সদস্য, তা তখন তাঁকে পরিচয় দেওয়া হয়নি। একপর্যায়ে তিনি তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। তবে এ সময় কোনো ধরনের মারধর বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

মীর আবু সাঈদ বলেন, “আমার দ্বারা কোনো পুলিশ সদস্যকে মারধর বা লাঞ্ছিত করার প্রশ্নই আসে না। ঘটনার দুদিন পর একটি অডিওকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবহার করে আমার প্রতিপক্ষরা আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন ও ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি আমাকে পুলিশের বিপক্ষে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি চাই বিষয়টি সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হোক। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসুক। আমি কোনো অন্যায় করিনি।”

এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার রাতে মীরপাড়া মোড় এলাকায় মীর আবু সাঈদের অফিসের পাশে অন্ধকার একটি দোকানে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলাম অবস্থান করছিলেন। এ সময় মীর আবু সাঈদ সেখানে গিয়ে অন্ধকারে একজনকে বসে থাকতে দেখে তাঁর পরিচয় ও সেখানে অবস্থানের কারণ জানতে চান। পরে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন বলে স্থানীয়রা জানান।

তবে ওই রাতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলাম ঠিক কী কারণে এবং কী দায়িত্বে সেখানে অবস্থান করছিলেন, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য থাকায় বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা