1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

মাগুরায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিএনপি নেতাসহ দু’জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ২৩৬ বার পঠিত

মাগুরায় এক কলেজছাত্রীকে মেলা দেখানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সদর উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের  বিএনপি নেতা মুক্ত মিয়া  ও তার সহযোগী টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত মুক্ত মিয়া মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের মৃত রতন মিয়ার ছেলে। এবং টিপু সুলতান একই গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে ।

বুধবার (১৭ জুন) মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী মামলাটি দায়ের করেন। তিনি মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল বিকেলে ভুক্তভোগীর মায়ের পরিচিত ব্যক্তি হাজীপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুক্ত মিয়া (৪৫) তাকে মেলা দেখানোর কথা বলে মোটরসাইকেলে করে শহরের বাণিজ্য মেলায় নিয়ে যান। মেলায় অবস্থানকালে মুক্ত মিয়ার সহযোগী টিপু সুলতান (৪২) সেখানে এসে তাদের সঙ্গে দেখা করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যার দিকে মুক্ত মিয়া তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে টিপু সুলতানের মোটরসাইকেলে তুলে দেন। তবে বাড়িতে না নিয়ে তাকে হাজীপুরে মুক্ত মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে দুধের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে জোরপূর্বক পান করানো হয়। অচেতন হয়ে পড়লে মুক্ত মিয়া তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, পরদিন সকালে জ্ঞান ফেরার পর তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে ২৮ এপ্রিল বিকেলে টিপু সুলতান তাকে তার মায়ের বাসার কাছে নামিয়ে দিয়ে চলে যান।
মামলায় আরও বলা হয়, বাসায় ফিরে তিনি তার মাকে পুরো ঘটনা জানান এবং শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন দেখান। তবে আসামিদের প্রভাব-প্রতিপত্তি ও বিভিন্ন ধরনের চাপের কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।
অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, বর্তমানে তিনি ও তার অসুস্থ মা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাদের কোনো ধরনের ক্ষতি হলে অভিযুক্তদের দায়ী করা হবে।
এ ঘটনায় মুক্ত মিয়া ও টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এফআইআর গ্রহণের আবেদন করা হলে আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাগুরা সদর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।”

উল্লেখ্য এই ঘটনার পরপর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাগুরা জেলা বিএনপি জানিয়েছিলো, হাজীপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুক্ত মিয়াকে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহম্মেদ ও সদস্যসচিব মনোয়ার হোসেনের যৌথ সিদ্ধান্তে এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়। যদিও বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ষণ মামলার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি

এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আদালতের নির্দেশনা পেলে অবশ্যই এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা