1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

শাপলা ফুল বিক্রি করে সংসার চালান সনাতন বিশ্বাস 

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩
  • ১৭২ বার পঠিত

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে শাপলা ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গোপালগঞ্জ জেলার মকসেদপুর উপজেলায় বাসুদেবপুর গ্রামের সনাতন বিশ্বাস।

শাপলা বিক্রির পাশাপাশি আলাপচারিতায় সনাতন বিশ্বাস বলেন, আমি আগে অন্য ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলাম। জীবিকা অর্জন আর পুঁজি ছাড়া এ ব্যবসা করা যায় বলেই আজ আমি এ ব্যবসা শুরু করেছি। তিনি জানান, প্রতিদিন ভোর রাতে শাপলা তুলতে চলে যায় নিজ জেলার মকসেদপুর উপজেলার উজানি বিলে। বাড়ির কাছে হওয়ার বেশ সুবিধা হয়। প্রতিদিন আমি কমপক্ষে ৪০০ থেকে ৭০০ মুঠো শাপলা সংগ্রহ করতে পাড়ি।

শাপলা ফুল শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও তরকারি হিসেবে শাপলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের প্রায় সবখানে খাল, বিল, পুকুর, ডোবায় শাপলা পাওয়া যায়। বিলের একদল নিবেদিত প্রাণ এ শাপলায় সবজির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কাটাচ্ছেন নিজের সংসারের দৈন্যদশাও।বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম শাপলার লতায় রয়েছে ১.৩ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ১.১ গ্রাম আঁশ, ৩.১ গ্রাম ক্যালোরি-প্রোটিন, ৩১.৭ গ্রাম শর্করা, ৭৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

শাপলা শুধু সৌন্দর্য ছড়ায় না; খাদ্য চাহিদাও পূরণ করে। বর্ষায় গোপালগঞ্জে জেলায় শাপলা ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা জীবিকার অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে ওঠেছে সেখানকার কয়েকশ পরিবারের। সবজি হিসেবে শাপলার চাহিদা থাকলেও দূষণ ও জলাশয় কমতে থাকায় এখন আর আগের মত শাপলা পাওয়া যায় না।স্থানীয়রা জানান বর্ষা মৌসুমে অনেক শাপলা ফুটে। আষাঢ় থেকে শুরু করে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পাওয়া যায় এই শাপলা।ডা. ইকবাল বলেন, পুষ্টিসমৃদ্ধ শাপলা সবজি হিসেবে জীবন যাপনে বড় ভূমিকা রাখার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ‘যে শাপলা বিলে জন্মে বিলেই পচে যেত, সে শাপলা সবজি হিসেবে আজ অনেকেই বাঁচার একমাত্র সম্বল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা