
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাগুরা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ফরিদ হাসান খান সহ তার আত্মীয়-স্বজনের ও ব্যবসায়িক পার্টনারসহ মোট ০৯ জনকে ষড়যন্ত্রমূলক অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা। ০৯ই এপ্রিল বুধবার দুপুরে মাগুরা পৌরসভার পারলা এলাকায় ফরিদ খানের নিজ বসতবাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তার মেয়ে ও স্ত্রী সহ পরিবারের সদস্যরা।
ফরিদা হাসান খান এর মেয়ে ফারিয়া জান্নাত কুয়াশা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বহুবার পুলিশ, র্যাব, আর্মি আমাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কখনো কোন অস্ত্র পাইনি।আমরা সেনাবাহিনী কাছে দাবি জানাচ্ছি তারা অস্ত্র গুলোর একটা ফরেনসিক রিপোর্ট বের করে সুষ্ঠু একটা তদন্ত করুক আসলেই এই অস্ত্র কোথা থেকে এসেছে।আমাদের ধারণা আমার বাবার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগকারীরা নিজেরাই সাজিয়ে এগুলো করেছে । আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি ।সেই সাথে আমার বাবা ও বাবার ব্যবসায়িক পার্টনার এবং পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
আটককৃত ফরিদ হাসান খান এর ভাই বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাঁন আমিনুর রহমান পিকুল বলেন, আমার ভাই ফরিদ হোসেন খান একজন প্রতিষ্ঠিত সফল ব্যবসায়ী।সে মাগুরা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। আমাদের এই ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং ব্যবসাকে কলঙ্কিত করার জন্য সেনাবাহিনীকে ভুল বুঝিয়ে এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে । আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাবো আপনাদের সারা বিশ্বে একটি সুনাম আছে সেই সুনামকে কাজে লাগিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আমাদের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনবেন।
Leave a Reply