1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

আবারও আলোচনায় শিক্ষক প্রদীপ কুমার ঘোষ

সমকাল বার্তা ডেস্ত :
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৪৯ বার পঠিত

মাগুরার শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক প্রদীপ কুমার ঘোষ আবারও শ্লীলতাহানির অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার ছাত্রীদের প্রতি অনভিপ্রেত আচরণ এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে বিদ্যালয়ের সুনাম যেমন ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, তেমনি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির একাধিক ছাত্রী অভিযোগ করেছেন, শিক্ষক প্রদীপ তাদের ভালো ফলাফল করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। ২০২০ সালে এমন একটি ঘটনার অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনের মাধ্যমে ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান।

ঘটনার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে তার নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পায়। কমিটি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে সুপারিশ পাঠায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজও পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষক প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বা আইনানুগ কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে, ১১ আগস্ট আবারও তিনি বিতর্কের জন্ম দেন। অভিযোগ উঠেছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে এক ছাত্রীকে তিনি আপত্তিকর ও অনভিপ্রেত মন্তব্য করেন। শিক্ষার্থীর পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, শিক্ষকের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন আচরণ না করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাই তারা বিষয়টি আইনি পথে না গিয়েই আপাতত ছেড়ে দেন। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আমি তখন দায়িত্বে না থাকায় পূর্ববর্তী ঘটনাগুলো সম্পর্কে অবগত নই। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রদীপ কুমার ঘোষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সুনাম ও গৌরব আজ প্রশ্নের মুখে। স্থানীয়রা মনে করছেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় এমন ঘটনা বারবার ঘটছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ কামনা করছে সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা