1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

টিসিবির ৭৭ মেট্রিক টন চাল তুলেছেন ডিলার, উপকারভোগীরা জানেন ‘বরাদ্দ হয়নি’

সমকাল বার্তা ডেস্ত :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৯০ বার পঠিত

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় গত জুলাই মাসে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) উপকারভোগীদের জন্য ৭৭ দশমিক ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ চাল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) একজন ডিলার তুলেও নেন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো—ওই মাসে চাল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন টিসিবি কার্ডধারী উপকারভোগীরা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুরের ৮ ইউনিয়নে টিসিবির উপকারভোগী কার্ডধারী আছেন ১৫ হাজার ৫৬৭ জন। এসব কার্ডধারী প্রতি মাসে ডিলারের কাছ থেকে তেল, চিনি, ডাল ও চাল কেনেন বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে। কিন্তু জুলাই মাসে তাঁদের জানানো হয়, চালের কোনো বরাদ্দ আসেনি। তাই তাঁরা শুধু তেল, চিনি ও ডালের প্যাকেজ পান।

কিন্তু উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসের নথি ঘেঁটে দেখা যায়, ৩০ জুলাই ওই কার্যালয়ের স্বাক্ষরিত বিলি আদেশে (ডিও) হোসেনিয়া কান্তা ঋতু নামে এক ওএমএস ডিলারের অনুকূলে ৭৭ দশমিক ৮৩৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং একই দিন মহম্মদপুর ও বিনোদপুর খাদ্যগুদাম থেকে এ চাল তোলা হয়।

রাজাপুর ইউনিয়নের উপকারভোগী শরিফা অভিযোগ করে বলেন, “সেখানে ৩০ টাকা কেজিতে চাল পাওয়া যায়। কিন্তু বাজারে কিনতে হয় ৫০ টাকা দরে। জুলাই মাসে চাল না পাওয়ায় অনেক কষ্ট হয়েছে।”

টিসিবি ও খাদ্য বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ডিলারদের ২৬ টাকা কেজি দরে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই চাল টিসিবির ডিলাররা ২৮ টাকা কেজিতে কিনে ৩০ টাকা দরে উপকারভোগীদের কাছে বিক্রি করার কথা। অথচ এ চাল বাজারে বিক্রি হলে কেজিতে ২২-২৪ টাকা পর্যন্ত লাভ হয় বলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান।

উপজেলার অন্তত ছয় ইউনিয়নের ডিলাররা জানান, জুলাই মাসে তাঁদেরকে চাল দেওয়া হয়নি। তবে অ্যাপে চাল দেখালেও হাতে পাননি বলে দাবি করেন তাঁরা। অন্যদিকে বিনোদপুর ও দীঘা ইউনিয়নের দুজন ডিলার জানিয়েছেন, তাঁরা চাল বিক্রি করেছেন। কিন্তু ওই ইউনিয়নের কয়েকজন উপকারভোগী জানিয়েছেন, তাঁরা চাল পাননি।

ডিলার হোসেনিয়া কান্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর নামে নিবন্ধিত নম্বরে যোগাযোগ করলে একজন জানান, এই নম্বর তিনি ব্যবহার করেন না।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর আক্তার বলেন, “চাল দেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তবে অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখা হবে।”

টিসিবির ঝিনাইদহ ক্যাম্প অফিসের উপপরিচালক আকরাম হোসেন বলেন, “টিসিবির চাল খাদ্য বিভাগ থেকে সরবরাহ করা হয়। আর বিতরণের তদারকির জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি থাকে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ট্যাগ অফিসাররাও আছেন।”

জুলাই মাসে চাল না পাওয়ায় অনেক উপকারভোগীই বিপাকে পড়েন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা