1. admin@samokalbarta.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিতের অভিযোগকে অপপ্রচার দাবি বাস মালিক সমিতির সভাপতির মাগুরায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাগুরা বণিক সমিতির নির্বাচনে পাভেল হোসেনকে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান মাগুরায় এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের পরও অকৃতকার্য, পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা মাগুরায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে পোনামাছ অবমুক্তকরণ পুনর্গণনার পরও বহাল ফলাফল, মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়সল ও সম্পাদক মারুফ সার-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধান ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে মাগুরায় সমাবেশ মাগুরা জেলা বাস-মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাগুরায় রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করলো পুলিশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে-মনোয়ার হোসেন

মাগুরায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ

আজকের মাগুরা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩২৫ বার পঠিত

মাগুরায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মাগুরা জেলায় স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা দূর করা ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে গণকমিটি মাগুরা জেলার উদ্যোগে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২২ সকাল ১১টায় চৌরঙ্গী মোড়ে মাগুরা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণকমিটির আহ্বায়ক এটিএম মহব্বত আলী এবং সমাবেশ পরিচালনা করেন সদস্য সচিব প্রকৌশলী শম্পা বসু। বক্তব্য প্রদান করেন, গণকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নজরুল ইসলাম ফিরোজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এটিএম আনিসুর রহমান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মাগুরা জেলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য চলছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অপর্যাপ্ত। ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল টেকনিশিয়ানসহ রয়েছে লোকবল সংকট। ওষুধ, টেস্ট, অপারেশনসহ বেশিরভাগ চিকিৎসা সেবা হাসপাতালের বাইরে থেকে নিতে হয়। উপজেলা পর্যায়েও সেভাবে কোন চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না। কমিউনিটি ক্লিনিক আছে কিন্তু সেখানে কোন ডাক্তার থাকেন না। মাগুরার একমাত্র মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতালেও নেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। অন্যদিকে ব্যাঙের ছাতার মতো অবৈধ ক্লিনিক গজিয়ে উঠেছে। এগুলোতে কখনো নার্স ডাক্তার সেজে অপারেশন করে রোগী মেরে ফেলে, কখনো রোগীর শরীরে অন্য গ্রুপের রক্ত ঢুকিয়ে মেরে ফেলে। তারপর এদের কিছু জরিমানা হয়; কয়দিন ক্লিনিক বন্ধ থাকে; তারপর উপর মহলে টাকা দিয়ে আবারও খুলে যায় এসব ক্লিনিক। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার অপর্যাপ্ততার কারণে রোগীরা এসব ক্লিনিকে যেতে একভাবে বাধ্য হন এবং অপচিকিৎসার শিকার হন।

আর সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা না থাকায় এই জেলার মানুষের চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেশি হয়ে যায় এবং অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন। অথচ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী চিকিৎসা আমাদের মৌলিক অধিকার।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা